শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন

নরসিংদীর শিবপুর শেরপুর গ্রামে ১২ বছরের শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার, থানায় মামলা।

বার্তা সম্পাদক / ২৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬

আবু নাঈম রিপন:জেলা প্রতিনিধি।।

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পুটিয়া ইউনিয়ন শেরপুর গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মনির হোসেন এর একমাত্র মেয়ে ঘোড়াদিয়া দারুল আহকাম দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ( ১২) কে ধর্ষণের ঘটনায় মেয়ের চাচা আলী হোসেন বাদী হয়ে শিবপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন । মামলার নং ৩৩ /২৫-৫-২৬ ইং সোমবার,
এজাহার ও শেরপুর গ্রামবাসীর তথ্যমতে, জানা যায়, গত ১৮-৫-২৬ ইং মে, সোমবার রাত আনুমানিক ৮.৩০ টার সময়,

ঘোড়া দিয়া দারুল আহকাম দাখিল মাদ্রাসা ছুটি হওয়ার পর, ধর্ষিতা মাদ্রাসা হতে বাড়ি ফেরার পথে
বাড়ি সংলগ্ন খালের ব্রিজের উপর পৌঁছানোর সাথে সাথে শেরপুর গ্রামের ২ নং বিবাদী মির্জান মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন রুমানার মুখে চাপ দিয়ে জোরপূর্বক টেনে হিচড়ে মোবারক এর নির্মানাধীন বিল্ডিং ঘরের একটি কক্ষে নিয়ে যায়। ১ নং বিবাদী ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে আরিফ ছুরি দ্বারা ভয় দেখিয়ে রুমানা আক্তার মনিকার পড়নের কাপড় চোপড় জোড়পূর্বক খুলে ফেলে।
ইচ্ছের বিরুদ্ধে,

জোরপূর্বক ধর্ষন করার পর এই বলে শাসায়,উক্ত ঘটনা বাড়িতে যাইয়া কারো কাছে বলিলে স্বপরিবারে হত্যা করবে বলে হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। ধর্ষণের ঘটনার পর হতে রুমানা আক্তার মনিকা শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং দিন দিন শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটলে রুমানা আক্তার তার দাদীর কাছে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ করে,রুমানা ও তার মা ভয় ও আতঙ্কে এবং নিরাপত্তা না থাকায় কারো কাছে বলতে সাহস পায় নাই,কারন শিক্ষার্থী রুমানা পরিবারের একমাত্র মেয়ে তার কোন ভাই,বোন নাই পিতা মালয়েশিয়া প্রবাসে থাকিলেও আর্থিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল । দিন দিন শারীরিক অবস্থা অবনতি দেখা দিলে অবশেষে নরসিংদীর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুটা সুস্থ হলে ,এ ধর্ষণের ঘটনায় রুমানা আক্তার মনিকার চাচা আলী হোসেন পিতা মৃত আঃ রশিদ খান ধর্ষণকারীর পরিবার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গণের নিকট ধর্ষণের বিচার দাবি করেন। রুমানা আক্তার মনিকা চাচা ধর্ষনের বিচার চাওয়ায় তাদের পরিবারের উপর বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়। অপরাধীরা ক্ষমতাবান,

ও প্রভাবশালী হওয়ায় এবং রুমানা আক্তার মনিকা এর পরিবারের উপর হুমকি দামকি দেওয়ার কারণে আশেপাশের লোকজন ও আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে। গ্রামবাসী ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় ,এই ধর্ষনের ঘটনা ঘটানোর পরও অপরাধীরা বন্ধুবান্ধব ও বিভিন্ন লোক মুখে ধর্ষণের ঘটনা ঘটানোর বিবরণ বলে আমোদ ফুর্তি করতো ।

অবশেষে ধর্ষণের ঘটনা নরসিংদীর জেলার প্রশাসন এর উর্ধতন
কর্মকর্তাদের নজরে চলে যায়, এনএসআই , গোয়েন্দা সহ বিভিন্ন প্রশাসন নিরব ছায়া তদন্তে সততার প্রমাণ পান। ধর্ষনের ঘটনা ,বর্ণনা শুনে শেরপুর গ্রামের নিরীহ অসহায় ,জনসাধারণ আস্তে আস্তে প্রতিবাদ গড়ে তুলেন এবং এ ঘটনার বিচার দাবি করেন । অবশেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গ্রামের সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন ২৬-৫-২৬ ইং মঙ্গলবার বিকেলে নরসিংদীর

জজ,আদালতে শিক্ষার্থী রুমানা আক্তার মনিকা (১২) এর জবানবন্দী রেকর্ড করেন। এ ধর্ষনের ঘটনার বর্ণনা শুনে শেরপুর গ্রামের নিরীহ ,অসহায় ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিবপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া বলেন,অপরাধীরা যতই শক্তিশালী এবং অর্থশালী হোক না কেন,অপরাধ করে আমাদের হাত থেকে ছাড় পাবে না।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আরো সংবাদ
27 May 2026

নরসিংদীর শিবপুর শেরপুর গ্রামে ১২ বছরের শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার, থানায় মামলা।

www.promothalo.com
27 May 2026

নরসিংদীর শিবপুর শেরপুর গ্রামে ১২ বছরের শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার, থানায় মামলা।

www.promothalo.com