মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
/ সর্বশেষ
ধরমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সামছুল হকের দোয়া ও সমর্থন কা- প্রতিনিধি :প্রমথ আলো বার্তা সম্পাদক মো:রুমন ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার আসন্ন ধরমপুর ইউনিয়ন পরিষদ আরও পড়ুন...
তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার প্রফেসর পাড়ায় বিদ্যুতের মেইন ড্রপ লাইনে শর্ট সার্কিট থেকে অল্পের জন্য ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এড়ানো গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রফেসর পাড়ার বাসিন্দা মৃত ঠান্ডু মাস্টারের স্ত্রীর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগের মেইন ড্রপ তারে হঠাৎ শর্ট সার্কিটের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে প্রচণ্ড স্পার্কিংয়ের পর তারটি ছিঁড়ে একই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হালিম খন্দকারের বসতবাড়ির নতুন টিনের ছাদের ওপর পড়ে। এতে টিনের ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মুহূর্তেই আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা ছিল, যে কোনো সময় আগুন লেগে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাটি ঘটার পর স্থানীয়রা দ্রুত সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলেন এবং বিদ্যুৎ বিভাগকে খবর দেন। পরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এতে অল্পের জন্য বসতবাড়ি, পার্শ্ববর্তী স্থাপনা ও মানুষের প্রাণহানির মতো বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো বিদ্যুৎ লাইন সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের মতে, সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত প্রফেসর পাড়ার বিদ্যুৎ লাইন পরিদর্শন, ঝুঁকিপূর্ণ তার ও সংযোগ পরিবর্তন এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: নিজের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি অনলাইন সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোঃ ইউসুফ আলী সনি। শনিবার (৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় রাজশাহী মহানগরের মতিহার থানার অক্ট্রয় মোড়স্থ রিভার
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে মন্দির কমিটির সভাপতি কর্তৃক আট বছরের শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার মোঃ শফিকুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক: কুড়িগ্রামের রাজারহাটে আট বছর বয়সী এক শিশুকে চিপস ও বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় শনিবার দিবাগত রাত ৫জুলাই (রবিবার) রাতে রাজারহাট থানায় এজাহার দায়েরের পর অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র রায় (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করে সকালে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র রায় উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের কুমারগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন কৃষক সেইসাথে স্থানীয় শিমুলতলা দূর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র রায় ভুক্তভোগী শিশুটির দূরসম্পর্কের দাদা (দাদু) হন। এই সুত্র ধরে পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিশুটির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বিভিন্ন সময় চকলেট, চিপস ও বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায়শই তিনি শিশুটিকে কোলে নেওয়া বা দোকানে নিয়ে যাওয়ার বাহানায় নিজের কাছে ডাকতেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অবুঝ শিশুটিকে ফুসলিয়ে তিনি প্রায়ই নিজের বাড়িতে নিয়ে যেতেন এবং হাত-পা টিপিয়ে নেওয়ার অজুহাতে প্রায়শই শিশুটিকে বিকৃত যৌন নিপীড়ন চালাতেন। লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে শিশুটি বিষয়টি দীর্ঘদিন পরিবারের কাছে গোপন রাখে। সর্বশেষ গত ১৫ জুন সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র রায় শিশুটিকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিজ ঘরে নিয়ে যান। সেখানে হাত-পা টেপানোর একপর্যায়ে শিশুটির ওপর চরম যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। এ সময় শিশুটি প্রচণ্ড শারীরিক ব্যথায় চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করলে অভিযুক্ত বৃদ্ধ ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য কঠোর হুমকি দিয়ে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশুটি বাড়িতে ফিরে তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা ও অসুস্থতায় ভুগতে থাকলে বিষয়টি তার মায়ের নজরে আসে। একপর্যায়ে মায়ের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শিশুটি তার ওপর ঘটে যাওয়া দীর্ঘদিনের পাশবিক নির্যাতনের বিবরণ দেয়। পরে শিশুর মা চট্টগ্রামে কর্মরত তাঁর স্বামীকে বিষয়টি অবহিত করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ ও স্বজনদের সিদ্ধান্তের কারণে থানায় এজাহার দিতে কিছুটা বিলম্ব হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী ও সুশীল জনমতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় শিমুলতলা দূর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি ও সমাজের একজন মহৎ দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি এরকম জঘন্যতম অপরাধ করায় স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তের কঠিন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশু নির্যাতনের বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট এজাহার দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।