রুহুল আমিন, ব্যুরো প্রধান (মানিকগঞ্জ)
মানিকগঞ্জ: বিশ্বকাপের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফুটবল উন্মাদনা এবার রূপ নিল মানিকগঞ্জের সিংগাইরে। স্থানীয় সমর্থকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক ব্যতিক্রমী প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ব্রাজিলকে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা দল। আর এই জয়ের পুরস্কার হিসেবে আর্জেন্টিনা দল লুফে নিয়েছে একটি ‘সাদা খাসি’।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার খান বানিয়াড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যতিক্রমী এই আয়োজনকে ঘিরে পুরো এলাকায় ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
আক্রমণাত্মক ফুটবলে আর্জেন্টিনার বাজিমাত
ম্যাচের শুরু থেকেই মাঠ দাপিয়ে বেড়ায় আর্জেন্টিনা দল। আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে প্রথমার্ধেই ‘তাহসিনে’র চমৎকার গোলে এগিয়ে যায় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আরও দ্বিগুণ করেন ‘ফাহিম’। অন্যদিকে, ব্রাজিল দলের হয়ে ‘রনি’ একটি গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তে সমর্থকরা।
ম্যাচে আর্জেন্টিনা দলের টিম ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মুসলিম উদ্দিন খান সেলিম এবং ব্রাজিল দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন শফিকুল আলম খান চন্দন।
ধারাভাষ্যে বাড়তি আমেজ
পুরো ম্যাচজুড়ে দর্শকদের বাড়তি আনন্দ জোগায় মানিকগঞ্জ জেলা ফুটবল কল্যাণ সমিতির ভাষ্যকার এইচ আর হানিফের প্রাণবন্ত ধারাভাষ্য। তার প্রতিটি চটুল বাক্য ও উত্তেজনাপূর্ণ কণ্ঠস্বর মাঠে উপস্থিত হাজারো দর্শককে মাতিয়ে রাখে।
পুরস্কারে খাসি ও লাল মোরগ!
খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তৈরি হয় অন্যরকম এক আকর্ষণ।
চ্যাম্পিয়ন (আর্জেন্টিনা): ট্রফির পাশাপাশি দেওয়া হয় একটি ‘সাদা খাসি’।
রানার্সআপ (ব্রাজিল): সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে একটি ‘কালো খাসি’।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: বিশেষ পুরস্কার হিসেবে মাঠসেরা খেলোয়াড়ের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ‘লাল মোরগ’।
এছাড়া উভয় দলের খেলোয়াড়দের মেডেল ও ট্রফি প্রদান করা হয়।
এই জমজমাট ম্যাচের যৌথ আয়োজন করেন জামান গ্রুপের কর্ণধার নূর-এ-জামান পিয়াস এবং এইচ আর খান গ্রুপের কর্ণধার নাফিসা আঞ্জুম খান।
আয়োজক নাফিসা আঞ্জুম খান বলেন, “বিশ্বকাপ ফুটবলের জনপ্রিয় দুই দলের সমর্থকদের নিয়ে আমাদের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। গ্রামীণ পর্যায়ে খেলাধুলার চর্চা বাড়াতে এবং তরুণ সমাজকে ইতিবাচক দিকে ধাবিত করতেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। দর্শকদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের দারুণভাবে উৎসাহিত করেছে। আগামী দিনেও এমন সুস্থ বিনোদনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।”আকর্ষণ।
চ্যাম্পিয়ন (আর্জেন্টিনা): ট্রফির পাশাপাশি দেওয়া হয় একটি ‘সাদা খাসি’।
রানার্সআপ (ব্রাজিল): সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে একটি ‘কালো খাসি’।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: বিশেষ পুরস্কার হিসেবে মাঠসেরা খেলোয়াড়ের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ‘লাল মোরগ’।
এছাড়া উভয় দলের খেলোয়াড়দের মেডেল ও ট্রফি প্রদান করা হয়।
এই জমজমাট ম্যাচের যৌথ আয়োজন করেন জামান গ্রুপের কর্ণধার নূর-এ-জামান পিয়াস এবং এইচ আর খান গ্রুপের কর্ণধার নাফিসা আঞ্জুম খান।
আয়োজক নাফিসা আঞ্জুম খান বলেন, “বিশ্বকাপ ফুটবলের জনপ্রিয় দুই দলের সমর্থকদের নিয়ে আমাদের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। গ্রামীণ পর্যায়ে খেলাধুলার চর্চা বাড়াতে এবং তরুণ সমাজকে ইতিবাচক দিকে ধাবিত করতেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। দর্শকদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের দারুণভাবে উৎসাহিত করেছে। আগামী দিনেও এমন সুস্থ বিনোদনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।”