খায়রুল বাসার বড়াইগ্রাম(নাটোর) প্রতিনিধিঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর ও বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পার-বাগডোব এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইদ্রীস আলীর ছোট ছেলে সিয়ামের সঙ্গে ইদ্রীসের বোনের মেয়ে জুবায়েদা ইসরাতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে তারা কোর্টের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের প্রায় ১৫ দিন পর মেয়ের পরিবার কোর্টের মাধ্যমে তালাক নোটিশ পাঠায়। এর কিছুদিন পর আবারও দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মেয়ের বাবা রহমান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে।
বুধবার ভোরে সিয়ামের বাড়িতে মেয়ের পরিবার রহমান, শিউলি, জব্বার, স্বপন ও জুয়েলসহ কয়েকজন লোকজন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করেন। এ সময় সিয়ামের ভাবি, চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা জুলেখা তাদের বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয় এবং তার পেটে লাথি মারা হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।পরে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আর জুলেখাকে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কাছে জানতে চাইলে মেয়ের বাবা আব্দুল রহমান বলেন, আমার মেয়ে জুবায়েদা ইসরাতের খোঁজ করতে তাদের বাড়িতে যায় আমার স্ত্রী। সেখানে তাদের সাথে হাতাহাতি হয় এবং আমার স্ত্রীকেও মারধর করা হয় সে বর্তমানে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন আছে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
