স্টাফ রিপোর্টার,ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির হাসান।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নানা সমীকরণ তৈরি হচ্ছে, ঠিক তখনই জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠে এসে আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান করছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল পর্যায়ে শক্ত অবস্থান এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততার কারণেই তিনি আজ জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণ ভোটারদের মধ্যেও তার প্রতি আস্থা লক্ষ করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে কিংবা নীরবে তাকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে কাজ করেছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তার মিশুক স্বভাব, সহজ-সরল আচরণ এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রবণতা সাধারণ মানুষের কাছে তাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব। বিভিন্ন সময়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা খাতে সহায়তা প্রদান, মসজিদ-মাদ্রাসা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা এবং এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা সংকটময় সময়ে তার সরাসরি উপস্থিতি মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে।
তার ব্যক্তিজীবনের সৎ, স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিও জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পারিবারিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তিনি রাজনীতিকে সেবার মাধ্যম হিসেবে দেখেন—এমন ধারণা স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে। ফলে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে তার প্রতি আস্থাও বেড়েছে।
নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলীয়ভাবে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা, তৃণমূলের সমর্থন এবং জনসম্পৃক্ততাকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই দিক থেকে ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন বলে তারা মনে করছেন। অনেকেই বলছেন, “জনগণের চাওয়া-পাওয়ার প্রতিফলন ঘটাতে হলে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা নেতাকেই মনোনয়ন দেওয়া উচিত।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সততা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে শেরপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার করবেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও সামাজিক নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন তারা।
সব মিলিয়ে, জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান, শক্ত জনসমর্থন এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে শেরপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু একটি শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ জনগণ।