বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আতিকুর গোলদার
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ৩ নম্বর রুদাঘরা ইউনিয়নের মিকশিমিল কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি ও লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়দের উদ্যোগে মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানা যায়, বৈরী আবহাওয়ার কারণে মিকশিমিল কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত না হওয়ায় মুসল্লিরা গাজী বাড়ি জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। পরে নামাজের অর্থ জমা দিতে গেলে মসজিদের সভাপতি আবদুল হক ফকিরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় আলতাফ মাহমুদ ও তার ছেলে রিংকুর হাতে তিনি লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর স্থানীয় জনগণ আলতাফ মাহমুদ ও তার ছেলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
পথসভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটির ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. ফেরদৌস আহমেদ। তিনি বলেন, এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী আলতাফ মাহমুদের চাঁদাবাজির কোনো স্থান থাকবে না। তার বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাদের নেতা তারেক জিয়ার নির্দেশ অনুযায়ী বিএনপিতে কোনো চাঁদাবাজির স্থান নেই।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন প্রভাষক আক্তারুল ইসলাম, আবদুল হক ফকির, প্রফেসর মিজানুর রহমান মিজার, মো. হালিম বাবু, ৬ নম্বর বিএনপির সভাপতি জাহিদ মোল্লা, মেম্বার জি এম উবাইদুল্লাহ, আলি রেজা মোল্লা, কাশেম গাজী, আজারুল গাজী প্রমুখ।
অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজি ও মাদকের অভিযোগ অস্বীকার করে আলতাফ মাহমুদ বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বরং আমার বাড়িতেই তারা অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।