বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আতিকুর গোলদার।
অপহরণের প্রায় তিন সপ্তাহের পর মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন ১৪ জেলে, প্রত্যেক জেলের মুক্তিপণ হিসেবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে দস্যুদের,
মঙ্গলবার সকালে আসা ১৪ জেলে নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরের শুটকি ব্যবসায়ী মিজান মালি,শাহিনুর মালি, হাবিব ও রবির মহাজনের জেলে, এখনো আলোরকোলের রফিকুল ও খালেক মহাজনের ১২ জেলে জিম্মি রয়েছেন,
গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে দুর্ধর্ষ বনদস্যু করিম শরীফ বাহিন পূর্ব সুন্দরবনের শেলার চর শুটকি পল্লীতে হানা দিয়ে একটি টলার সহ ৬ জেলেকে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০ টি ট্রলার থেকে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছিল বনদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনী,
বুধবার বিকেলে শেলার চরের শুটকি ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন মিঠুর পাঠানো এক অডিও বার্তায় জানা যায়, দস্যুরা চার মহাজনের ১৪ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে, এখনো দুই মহাজনের ১২ জেলে জিম্মি রয়েছে, প্রত্যেক জেলের জন্য ৭০- ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে দস্যুদের,
শুটকি উৎপাদন কেন্দ্র দুবলার চরের বিশেষ টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ফরেস্ট রেঞ্জার) মিল্টন রায় অপহরণ জেলেদের মহাজনদের বরাত দিয়ে বলেন, চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা না পাওয়ায় সঙ্ঘবদ্ধ দস্যুরা যে কোনো সময় শুটকি পল্লীতে হানা দিয়ে ব্যাপক সংখ্যক জেলে অপহরণের হুমকি দিয়েছে, এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শুটকি উৎপাদনকারী চরগুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে,
সুন্দরবনে দস্যু নির্মলে কোচগার্ডে নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু হলেও পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ এলাকায় এর কোনো প্রভাব পড়েনি,
যে কারণে শরণখোলা রেঞ্চের বনাঞ্চল এখন দস্যুদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে, তারা জেলে অপহরণসহ মহাজনদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে, তাই দ্রুত শরণখোলা রেঞ্জে অভিযান পরিচালনার দাবি জানান এই বন কর্মকর্তা