দীর্ঘ সময় পর মানিকগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে আবারও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সাম্প্রতিক নির্বাচনে জেলার তিনটি আসনেই বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা ও উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। স্থানীয় রাজনীতিতে এটি বিএনপির জন্য এক ধরনের ‘পুনর্জন্ম’ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, মানিকগঞ্জ-১ (১৬৮) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর এক লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮ ভোট।
মানিকগঞ্জ-২ (১৬৯) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান এক লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস–এর প্রার্থী মো. সালাহউদ্দিন পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট।
অপরদিকে মানিকগঞ্জ-৩ (১৭০) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী আফরোজা খানম এক লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস–এর প্রার্থী মুহাম্মদ সাইদনূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।
জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠন পুনর্গঠন, নিয়মিত উঠান বৈঠক, গণসংযোগ এবং ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের ফলেই এ সাফল্য এসেছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেন।
দলীয় নেতারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়েই তাঁরা সামনে এগিয়ে যেতে চান। একই সঙ্গে তাঁরা প্রতিশ্রুতি দেন, উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মানিকগঞ্জে বিএনপির এই সাফল্য ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জনগণের আস্থা ধরে রাখাই হবে দলের জন্য বড়