শিরোনাম
রাউজানে গর্জনিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বগুড়ার শেরপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরুণ সাংবাদিকের নির্মম হত্যা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি। রিয়াদে প্রবাসী বগুড়া জেলা বিএনপির ঈদ পূর্ণমিলন ও ঐতিহ্যবাহী আলু ঘাটির ভোজন মেলা অনুষ্ঠিত; ধরুন্দ ও ইউনুছপুরের ফসল রক্ষাবাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, বাঁশখালীতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী ও দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, শান্তিগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা: ঈদের আনন্দ মাটি, প্রাণ গেল দুই বন্ধুর ঈদের আনন্দে নানার বাড়ির পথে, মাঝনদীতে ঝরে গেল শিশু সুফিয়ার প্রাণ, তাহিরপুরে খেয়া নৌকা ডুবি—অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ, এলাকায় শোকের মাতম, বগুড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা: ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। খুলনার ডুমুরিয়ায় ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, লাঞ্ছনার অভিযোগে প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা;
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন

মৃত ব্যক্তির টাকা-গহনা ফেরত দিলেই কি অপরাধ মাফ? বগুড়ায় মৃত নারীর সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে এসআই জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান বিভাগীয় কি কোন শাস্তি নেই?

প্রতিবেদকের নাম / ১৯৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ায় এক মৃত নারীর জব্দকৃত টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম অবশেষে মালামাল ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছেন। তবে প্রশ্ন উঠেছে—টাকা ও গহনা ফেরত দিলেই কি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন সদস্যের বিরুদ্ধে আনা গুরুতর অপরাধের দায় শেষ হয়ে যায়?

পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর গভীর রাতে এসআই জাহাঙ্গীর আলম বগুড়া সদর উপজেলার জামিলনগরে গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য শাজাহানের বাড়িতে হাজির হন। সেখানে তিনি মৃত নারীর স্বজন, শাজাহানের স্ত্রী শামিমা বেগমের হাতে জব্দ তালিকাসহ নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন বুঝিয়ে দেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় শামিমা বেগমের ভিডিও বক্তব্য এবং থানায় সংরক্ষিত ফাঁকা রাখা একটি জিডির কপি গণমাধ্যমের হাতে রয়েছে। এসব প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্ত এসআইয়ের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভুক্তভোগী নারী বেঁচে না থাকায় এবং সরাসরি অভিযোগ করার কেউ না থাকায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন উঠেছে—নারীটি জীবিত না থাকলেই কি তার সঙ্গে সংঘটিত অন্যায় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে না?
সচেতন মহল বলছে, একজন পুলিশ কর্মকর্তা যদি দায়িত্ব পালনের সময় জব্দকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎ করেন, তবে সেটি নিছক অনৈতিকতা নয়—এটি গুরুতর অপরাধ। শুধু মালামাল ফেরত দিলেই দায়মুক্তি দিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক মানবাধিকার কর্মী বলেন, “আইনের রক্ষক যখন নিজেই অপরাধে জড়িত হন, তখন সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার চাইবে কার কাছে? টাকা ফেরত নয়, দরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।”
এখন প্রশ্ন একটাই—এসআই জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে কি বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, নাকি বিষয়টি নীরবেই ধামাচাপা পড়ে যাবে? জনমনে এই প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর