সৌদিআরবে থেকে _
সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ইংরেজি শাখার অভিভাবক পরিষদ নির্বাচন বর্জনের অধিকাংশই প্রার্থীরা বিএনপি-সমর্থক বলে জানা গেছে। এতে সুস্পষ্ট অভিযোগ এনে তারা বলেন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কারচুপি, যুদ্ধকালীন সময় নির্বাচন আয়োজন, ভোটার তালিকায় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।এবিষয়ে অভিযোগ কারীরা রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষপাতিত্বের বিষয়টি সম্পর্কে ধারনা করেছেন। এতে করে নানামুখী গুঞ্জনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ থেকে সরে দাঁড়ানোর এ ঘোষণা দেন প্রার্থীরা। যা কতিপয় ভোটার ও অভিভাবকদের সমর্থনও রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনের প্রার্থী –
ডাঃ এ কে এম গোলাম হাসনাইন সোহান
ডাঃ মাহমুদ উজ জামান
ডাঃ রাইসুল মাসুদ
ইঞ্জিনিয়ার আবু ওবায়েদাহ ওবায়েদ
ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল ফাত্তাহ
মোহাম্মাদ নুরুন্নবি জারিফ উপল
শিশির হোসেইন
মোহাম্মাদ মিজানুল হক
মোহাম্মাদ মানেক হোসাইন
প্রবাসী বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ফিরোজ আহমেদ নয়ন, বিএনপি নেতা আরমান চৌধুরীর, সহ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা নয় জন প্রার্থী।
সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে শুরু থেকেই অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছে।
তাদের দাবি, ভোটার তালিকা প্রণয়নে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে পলাতক স্বৈরাচার দোষরদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য এবং বহু বৈধ অভিভাবককে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। একই সাথে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলেন প্রার্থীরা।
দূতাবাসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি পক্ষপাতিত্ব ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ এনে তারা বলেন, এমন একতরফা ও বিতর্কিত পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কোনো ভাবেই সম্ভব নয়।
প্রার্থীরা জানান, দূতাবাসে বারবার আপিল ও দাবি জানানো সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন কোনো ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ না থাকায় তারা নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হয়েছেন।
অভিভাবক পরিষদের এই নির্বাচনকে ঘিরে রিয়াদের সাধারণ প্রবাসী ও অভিভাবকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে প্রার্থীদের তোলা অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি কিংবা বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।