শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরুণ সাংবাদিকের নির্মম হত্যা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি। রিয়াদে প্রবাসী বগুড়া জেলা বিএনপির ঈদ পূর্ণমিলন ও ঐতিহ্যবাহী আলু ঘাটির ভোজন মেলা অনুষ্ঠিত; ধরুন্দ ও ইউনুছপুরের ফসল রক্ষাবাঁধ নির্মানে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, বাঁশখালীতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী ও দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, শান্তিগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা: ঈদের আনন্দ মাটি, প্রাণ গেল দুই বন্ধুর ঈদের আনন্দে নানার বাড়ির পথে, মাঝনদীতে ঝরে গেল শিশু সুফিয়ার প্রাণ, তাহিরপুরে খেয়া নৌকা ডুবি—অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ, এলাকায় শোকের মাতম, বগুড়ায় সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা: ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। খুলনার ডুমুরিয়ায় ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, লাঞ্ছনার অভিযোগে প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা; বদলগাছীর মিঠাপুর ইউনিয়ন বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ফিরোজ হোসেন তাহিরপুর সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি,
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

বগুড়ার শাজাহানপুরে শ্মশানকান্দিতে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির মহোৎসব, নেই কোন অনুমতি পত্র, অনুমতি পত্র কিভাবে দেয় এখন সেটাই দেখার বাকি। রাতের আঁধারে এক্সক্যাভেটর, ট্রলিতে ইটভাটায় যাচ্ছে উর্বর মাটি—কেন নীরব ভূমিকায় উপজেলা প্রশাসন। 

প্রতিবেদকের নাম / ৫৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়নের শ্মশানকান্দি এলাকায় অবাধে চলছে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির উৎসব। অভিযোগ উঠেছে, এক্সক্যাভেটর দিয়ে জমির উর্বর মাটি কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন ভরাট কাজে বিক্রি করছেন হুমায়ুন আহমেদ নামে এক অসাধু মাটি ব্যবসায়ী।

স্থানীয়দের দাবি, শাজাহানপুর উপজেলায় একটি শক্তিশালী মাটি ব্যবসায়ী চক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা দরিদ্র কৃষকদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে কিংবা আর্থিক সংকটকে পুঁজি করে ফসলি জমির মাটি কিনে নিচ্ছে। ফলে ৮ থেকে ১০ ফুট গভীর করে মাটি কাটার কারণে বহু কৃষিজমি ডোবায় পরিণত হয়েছে। এসব জমিতে ভবিষ্যতে আর ফসল উৎপাদন বা মাছ চাষ—কোনোটিই সম্ভব নয়।
গ্রামীণ সড়ক ধ্বংস, আবাদি জমির ব্যাপক ক্ষতি
কৃষিজমি থেকে কেটে নেওয়া মাটি পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ভারী ট্রলি গাড়ি। এতে করে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রামীণ সড়কগুলো দ্রুত খানাখন্দে ভরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি ট্রলির চাপে আশপাশের আবাদি জমিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সরেজমিনে দৃশ্য: রাতের আঁধারে মাটি কাটা
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, শ্মশানকান্দি গ্রামের সাবেক স্কুলশিক্ষক লুৎফর রহমানের ছেলে মো. হুমায়ুন আহমেদ রাতের আঁধারে এক্সক্যাভেটর দিয়ে ফসলি জমির মাটি কাটছেন। কেটে নেওয়া মাটি ট্রলিতে করে নিকটবর্তী ইটভাটায় পাঠানো হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, হুমায়ুন আহমেদ এলাকায় একজন প্রভাবশালী মাটি ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্বিঘ্নে এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রভাবশালীর ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
অভিযুক্তের বক্তব্য মেলেনি, চেয়ারম্যানের অজ্ঞতা
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত হুমায়ুন আহমেদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
অন্যদিকে, মাদলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান বলেন, “মাটি কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানাতে পারব।”
প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে
ফসলি জমি রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর