
মামলাকারী জসীমউদ্দীন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বেশ কিছুদিন আগে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ৩ নং সুগুনা ইউনিয়নের লালুয়ামাঝিরা গ্রামে মৃত মমতাজ উদ্দিনের উত্তরাধিকারীদের সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের পৈতৃক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার অভিযোগ ওঠে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে অভিযুক্ত জসীম উদ্দিন ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য পরিকল্পিতভাবে একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর উদ্যোগ নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আব্দুল হাদীর প্রকৃত বয়স ঘটনার সময় ১৪ বছর হওয়া সত্ত্বেও তাকে ১৮ বছর বয়সী হিসেবে উপস্থাপন করে একটি ফৌজদারি মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নেওয়া হলে বিদ্যালয়ের সংরক্ষিত রেকর্ড থেকে জানা যায়, ঘটনার সময় আব্দুল হাদীর বয়স ছিল ১৪ বছর। বিদ্যালয়ের নথিপত্রেও তার জন্মতারিখ ও বয়স সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এসব তথ্য থাকা সত্ত্বেও তাকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বিচারিক প্রক্রিয়াকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্যমতে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের ধারাবাহিকতায় তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের দাবি, একটি নিরপরাধ অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুকে মামলায় জড়িয়ে পরিবারটির ওপর মানসিক, সামাজিক ও আইনি চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত তথ্য যাচাই এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।