ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিএনপির ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোটের একজনসহ মোট ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে নির্বাচন ভবনে এ ঘোষণা দেন সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
তিনি জানান, বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। এসব প্রার্থীর নাম নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করে বৃহস্পতিবার গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের পর তা সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হবে এবং পরবর্তীতে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের আয়োজন করা হবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে শূন্য পদের সমান সংখ্যক বৈধ প্রার্থী থাকায় আইন অনুযায়ী সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ৫০টি আসনের বিপরীতে ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে চারজনের মনোনয়ন বাতিল হয়। এদের মধ্যে জামায়াত জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনও রয়েছেন। সরকারি চাকরি ছাড়ার নির্ধারিত সময়সীমা পূরণ না করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়, যা আপিলেও বহাল থাকে।
অন্যদিকে, এনসিপির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র জমা দিলেও হাইকোর্টের নির্দেশে তার মনোনয়ন গ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী থাকায় নির্বাচন আর প্রয়োজন হচ্ছে না। ফলে ৪৯ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন এবং একটি আসন শূন্য রয়েছে।
শূন্য আসনটির বিষয়ে এবং আদালতের নির্দেশনার পরবর্তী করণীয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।