বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আতিকুল গোলদার।
মেট্র প্রতিনিধিঃ খুলনায় ওসামানের বিরুদ্ধে ২ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ থাকে যে,কেসিসি মার্কেটের ৬৬নং ঘরের ব্যবসায়ী মোঃ ওসমান খান, পিতা— মৃত্যু নুরুল হক খান এর সহিত মানবাধিকার কর্মী মোঃ হাফিজুল ইসলাম সুসম্পর্ক থাকায় তাহারা ২ জনে যৌথভাবে গত ০৭/০১/২০১৯ইং তারিখে বটিয়াঘাটার থানার পাশে অবস্থিত শেখর সাহা দিংদের নিকট হইতে ১৭ শতক জমি ব্যবসার লক্ষ্যে ৫ লক্ষ টাকা দিয়া রেজিস্ট্রি বায়না করিয়াছিলেন। উক্ত জমি রেজিস্ট্রি বায়না করার সময় হাফিজুল ইসলামের কাছে ভোটার আইডি কার্ড না থাকায় বিশ্বাস করে মোঃ ওসমান খান এর নামে রেজিস্ট্রি বায়না করেন। এবং ৫ লক্ষ টাকা জমি দাতাদের বায়না বাবদ দেওয়া হয়। উক্ত ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে ৩ লক্ষ টাকা ওসমান খানের এবং বাকী ২ লক্ষ টাকা। হাফিজুল ইসলামের নিকট হইতে বালি ভরাট বাবদ আরও ৪০ হাজার টাকা অর্থাৎ মোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা হাফিজুল ইসলাম নিজে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে উক্ত জায়গায় রাস্তা না থাকায় মালিক পক্ষ শংকর সাহা দিং জমি দিতে পারেন নাই। পরবর্তীতে দাতাদের নিকট হইতে উক্ত জমির বায়নাকৃত ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে হাফিজুল ইসলাম না জানিয়ে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ওসমান খান নিয়েছেন। যাহা হাফিজুল ইসলাম পরবর্তীতে জানতে পারেন। এ বিষয়ে দাতা পক্ষদের নিকট জিজ্ঞাসা করিলে তাহারা বলেন ওসমান খান টাকা নিয়াছে বলিয়া স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে ওসমান খান এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আমার টাকা আমি নিয়েছি আপনার টাকা দাতা পক্ষদের নিকট হইতে নেন। অথচ দাতাপক্ষ বলিতেছেন যে, যেহেতু ওসমান খান এর সাথে আমাদের বায়না চুক্তি হইয়াছিলো, তাই ওসমান খানের নিকট সাড়ে চার লক্ষ টাকা প্রদান করিয়াছি।তারা আরও বলেন, যেহেতু আমাদের জমি বাবদ মোট ৫ লক্ষ টাকা ওসমান খান দিয়েছিলেন। তাহা আমরা ওসমান খানকে পরিশোধ করিয়াছি।
হাফিজুল ইসলাম বলেন যে, এ পর্যন্ত তিনি মাত্র ৪০ হাজার টাকা ফেরত পাইয়াছেন। বাকী ২ লক্ষ টাকা এখনও পাই নাই। এ ব্যাপারে ওসমান খানের নিকট টাকা চাইতে গেলে হাফিজুল ইসলাম এর সহিত তালবাহানা করিতেছেন। গত ১৭/০১/২০২৫ইং তারিখ ওসমান খানের কাছে টাকা চাইতে গেলে সে নানা ধরনের কথা বলিতেছে এবং পরবর্তীতে জাফর নামে এক ব্যক্তিকে দিয়ে হাফিজুল ইসলামকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকী দিয়াছেন। এছাড়াও হাফিজুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে মব সৃষ্টি করিয়া তাহাকে হয়রানী করার চেষ্টা করিতেছেন। যেহেতু কেসিসি মার্কেটে হাফিজুল ইসলাম এর মানবাধিকারের অফিস রয়েছে তাই এ বিষয়টি নিয়া গত ০৮/০১/২০২৬ইং তারিখে অত্র মার্কেটের সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত আকারে জানাই।মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক অসুস্থ আছেন বলিয়া তিনি আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।তাই গত ২২/০১/২০২৬ইং তারিখ হাফিজুল ইসলাম খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। হাফিজুল ইসলাম উপরোল্লিখিত বিষয়বস্তু গণমাধ্যমকর্মীদেরকে অবগত করেন,এবং জোর দাবি জানান যে,আমি যাহাতে আমার পাওনা ২ লক্ষ টাকা আইনি প্রক্রিয়াই ফেরত পাইতি পারি।
মানবাধিকারের তদন্ত কর্মকর্তাগণেরা বিষয়টি খতিয়ে দেখতিছে।