বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আতিকুর গোলদার
গত ইং২১ শে জানুয়ারী রোজ বুধবার সকাল সাড়ে দশ টায় দুস্হ অসহায় রুগীকে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া অনুদান তুলে দিলেন হৃদ রোগে আক্রান্ত আক্তারুজ্জামানের নানা সিরাজুল সানা কে খুমেক হাসপাতালের সমাজসেবক অফিসার অনিমা বাছাড়।
খুলনা উপকূল এলাকায় কয়রা থানার মঠবাড়ীয়া গ্রামে জম্ন নেওয়া হতদরিদ্র পরিবারের দিন মুজুরি খেটে খাওয়া বাবা হাফিজুরের ছোট্ট ভাঙ্গা কুড়ি ঘরে। বাবার সপ্ন ছিল ছেলে কে লেখা পড়া শিখিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে সমাজের হতদরিদ্র পরিবারের হাল ধরা। ১৬ বছরের ছেলে সবে মাত্র ক্লাস নাইনে পড়ছে এ সময় আক্রান্ত হৃদ রোগে। গোটা পরিবারের সেইবুক ভরা আশা ও সপ্নকে ভেঙে চুরমার করে দিল। ছেলে কে বাঁচাতে দ্রুত ভর্তি করা হলো খুমেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস বক্ষব্যধিতে ধরা পড়লো জটিল সমস্যা, যে সমস্যা দ্রুত সমধান করতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আবার রেফার করলো ঢাকা জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট হাসপাতালে।
একমাত্র ছেলেকে বাঁচাতে হাউ মাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়ে বাবা হাফিজুর, কি হবে আমার সন্তানের? আমি তার চিকিৎসা খরচ কিভাবে ম্যানেজ করবো? কি ভাবে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাব? এই মুহূর্তে কি হবে আমার সন্তানের?।
বিশ্বস্ত সুত্রে জানতে পারেন সমাজ সেবা কার্যালয় এধরণের রুগীকে সাহায্য অনুদানের কথা। ছুটে চলে যান খুমেক মেডিকেল কলেজের সমাজসেবক দায়িত্বরত অফিসার অনিমা বাছাড়ের কাছে। তিনি তার সব কথা শুনে নিজেই অডিট করে তাকে পুরাপুরি না পারলে সাময়িক ভাবে ঢাকায় যাওয়ার এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া অনুদান সহ ঢাকায় সু চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়া র আশ্বাস প্রদান করেন। তাকে শান্তনা দিয়ে বলেন বেশি ভেঙে পড়ার কারন নেই বিধাতা সুপথ দেখাবে।
এসময়ে বাবা হাফিজুর ও তার নানা সিরাজুল ইসলাম সানা সকলের কাছে দোওয়া ও সাহায্যের দাবি জানিয়েছেন।