
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, মঙ্গলাবার যুক্তরাজ্যের বৃটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে কমিউনিটির সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব যথাক্রমে বিশিষ্ট আইনজীবী, লেখক ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এবং বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা ও জিএসসি সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মীর্জা আসহাব বেগ বিমানের মানচেস্টার ফ্লাইট চালু রাখা ও সিলেট বিমানবন্দরকে সত্যিকার অর্থে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করার দাবি জানিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিনের সাথে সচিবালয়ে গতকাল পরপর পৃথক রুদ্ধদার বৈঠক করেন। তারা সংশ্লিষ্টদের কাছে তোষামোদি নয় বরং চোখে চোখ রেখে তাদের ন্যায়্য দাবি উত্থাপন করেন।
উভয় নেতা যুক্তিসহ সচিব ও উপদেষ্টার কাছে জোরালোভাবে দাবি তুলে ধরে বলেন, ম্যানচেস্টার ফ্লাইট যেকোনো মূল্যে জারী রাখা উচিত। সবসময় কানায় কানায় পূর্ন ফ্লাইট ম্যানচেস্টার থেকে আসে, এটা সিটও খালি থাকে না। এমতাবস্থায় ফ্লাইট বন্ধের হেতু বোধগম্য নয়। ম্যানচেস্টার ও তার আশেপাশের শহরগুলোতে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিরা বসবাস করেন।
প্রয়োজন হলে এয়ারক্রাফট চ্যার্টার করে এনে বা লীজে এনে ম্যানচেস্টার রুটে ফ্লাইট চালু রাখা অত্যাবশ্যক। পূর্ন ফ্লাইট থাকার পরও এই রুটে প্রতি মাসে লোকসান হয় দুই কোটি টাকার উপর এমন কথা সচিব ও উপদেষ্টার মূখ থেকে আসার পর ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ও মীর্জা আসহাব বেগ জোর দিয়ে বলেন, দুর্নীতি বন্ধের যথাযথ পদক্ষেপ নিন। প্রয়োজনে ফ্লাইট চালু রেখে দুর্নীতির বিষয়ে পূর্ন ও ব্যাপক তদন্ত করুন। তবে ফ্লাইট বন্ধ রেখে তদন্ত করতে গেলে লক্ষ লক্ষ প্রবাসীরা অহেতুক বিড়ম্বনার শিকার হবেন।
সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দরকে সত্যিকার অর্থে আন্তর্জাতিক করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মীর্জ আসহাব বেগ ও ব্যারিস্টার নাজির আহমদ বলেন, এতে শুধু প্রবাসীরাই লাভবান হবেন না, লাভবান হবে পুরো দেশ ও দেশের অর্থনীতি। অন্যান্য এয়ারক্রাফট নামার সুযোগ দিলে অত্র অঞ্চল একটি “ট্যুরিস্ট হ্যাব” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। আশে পাশের দেশ থেকে ফ্লাইটে লক্ষ লক্ষ ভ্রমণ পিপাসুরা ১/২ দিনের জন্য সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও দর্শনীয় স্থানগুলো দেখার জন্য ছুটে আসতো।
এতে দেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে। তাছাড়া বিমানের সার্ভিসের মান ও প্যাসেন্জার কেয়ারিং এর স্ট্যান্ডার্ড বাড়তো। নিকট অতীতে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের সময় অল্প সময়ে ৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট যদি সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারে এবং কুয়াশার কারণে বিভিন্ন সময় আন্তর্জাতিক মানের বড় বড় বিমান নামতে পারে, নিয়মিতভাবে অন্যান্য এয়ারক্রাফট নামার অনুমতি না দেয়ার কারণ বোধগম্য নয়। অবকাঠামো বা রানওয়ে সম্প্রসারণ আসল ব্যাপার নয় আসল ব্যাপার হলো সংশ্লিষ্টদের সদিচ্ছার অভাব ও স্বার্থান্বেষীদের বাধা।
ঘন্টাব্যাপী বৈঠকে সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা অধ্যাপক নূরুল ইসলাম ও সাংবাদিক সামছুল আলম লিটন (আংশিক সময়) উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা নিউজ মিডিয়া কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp & IMO 01886833283
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩