
সিরাজগঞ্জ পৌর ১০নং ওয়ার্ড বিএনপি’র উদ্যোগে- সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র গায়েবানা জানাজা সিরাজগঞ্জ ধানবান্ধি বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারা বিভিন্ন কারনে- ঢাকা’য় খালেদা জিয়ার জানাজায় শরীক হতে পারেননি তারা এ জানাজায়- বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য, বীরমুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান বাচ্চু এর নির্দেশনায় এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ ছানোয়ার হোসেন ছানু, হেলাল আহমেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, সদর থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেল সেখ, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ব্যবস্থাপনায়-
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে জোহর নামাজের পর সিরাজগঞ্জ ধানবান্ধি মতিসাহেবঘাট জামে মসজিদ সামনে, খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এই গায়েবানা জানাজা নামাজ পর দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জানাজা নামাজে ইমামতি করেন, মতিসাহেব ঘাট জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মওলানা মুফতি মোঃ আব্দুল মালেক এবং গায়েবানা জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন, মতিসাহেব ঘাট জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন, ক্বারী মোঃ শহিদুল ইসলাম। জানাজা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, পৌর ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহজাহান আলী সাজা, শহর বিএনপির নেতা মো. শহিদুল ইসলাম, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য- মোঃ মনির হোসেন মুন্না, ১০ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ সোহান আহমেদ শামীম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রানা সেখ এবং জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হান্নান সেখ,১০নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ স্বপ্ন সেখ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা উপস্থিত ছিলেন।
অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেত্রী খালেদার এ জানাজাস্থলে- উপস্থিতদের কান্না যেন পরিণত হয় শোক ও ভালোবাসায়। অনেকের চোখে ছিল অশ্রু, মুখে ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও মানবিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণ।
এ জানাজার পূর্বে বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী নন, তিনি এ দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
জানাযায় যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক খালেদা জিয়া। বেগম জিয়ার জানাজায় রাজধানীতে জনস্রোত তারেক রহমানকে সমবেদনা জানানো হয়। বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ৩ দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বামীর কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
মহাকালের সমাপ্তি: মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোষহীন নেত্রীর শেষ বিদায় জানাজায়- রাজধানী ঢাকা’তে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সংগঠনের নেতা-কর্মীরা, প্রায় কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।