আল হেদায়েতুল্লা (সুজন): নীলফামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সাতজন নেতাকর্মী ও সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন মিয়া (২৭), কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মন্নাফ (৩১), সৈয়দপুর উপজেলার আওয়ামী লীগ সমর্থক জাহানুর আলম (৩৬) এবং একই উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য এনামুল হক (৬০)।
এ ছাড়া জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মনোয়ার হোসেন লিটন (৪২), ডোমার উপজেলার পাঙ্গামটুকপুর ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অমিত হাসান সাকু (৩৯) এবং ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর আনারুল ইসলাম (৫৫) রয়েছেন।
নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নাশকতাসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশের বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ জানায়, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলাজুড়ে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত দুই দিনে মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার নীলফামারী সদর, সৈয়দপুর ও ডিমলা উপজেলায় পৃথক অভিযানে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন— নীলফামারী সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. আজগর আলী (৬৫), সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. গোলজার হোসেন (৪৬), ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এন্তাজুল হক (৬০) এবং একই উপজেলার খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলাউদ্দিন ওরফে উদ্দিন (৪৫)।