শিরোনাম
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে দুঃশাসনের অবসান: ১১ দলীয় ঐক্যের বিজয়ে রিকশা প্রতীকে ভোট চান মামুনুল হক বাঁশখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক পরিবারের পাশে বিএনপি বাঁশখালীতে রওজাতুল কুরআন হিফজ মাদ্রাসা ও আন নুর ইনস্টিটিউটের নবীন বরণ ও সবক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত শিক্ষার গুণগত মানে এগিয়ে কয়া গোলাহাট উচ্চ বিদ্যালয়, সৈয়দপুরে দৃষ্টান্ত স্থাপন চট্টগ্রাম ৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী সমর্থনে উঠান বৈঠক স্থানীয় নেতারা নির্বাচনী কৌশল ও সমর্থন জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ জিয়ার পরিবারের আস্থাভাজন ও বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জের আগামীর রূপকার আহমেদ আলী মুকিব বাঁশখালীতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও তাজেদারে মদিনা সুন্নী কনফারেন্স সম্পন্ন বদলগাছীর চৌরাস্তার মোড়ে যৌথবাহিনীর অভিযানে( ৮০০ পিচ)ট্যাপেনটাডোলবড়ি সহ দুই যুবক আটক। “তারেক জিয়া পরিষদ-সিরাজগঞ্জ” এর উদ্যোগে- সিরাজগঞ্জ- (২)আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু’র পক্ষে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রাব্বি হোসেন গ্রেপ্তার
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

বেলকুচিতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রেজাউল করিম সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : / ১৫৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

রেজাউল করিম সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

যথাযোগ্য মর্যাদায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরিন জাহান।
সঞ্চালনা করেন বেলকুচি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার ঘোষ।
বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বেলকুচি থানা ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহুরুল হক, বেলকুচি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হাসান, বেলকুচি উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, বেলকুচি উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম, বেলকুচি উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মুসা হাসেমী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে ১৪ই ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে ‘জাতিকে ব্যর্থ করাই ছিল স্বাধীনতাবিরোধীদের লক্ষ্য’
একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী। তবে বিজয়ের প্রাক্কালে এ হত্যাযজ্ঞ ভয়াবহ রূপ নেয়। আর এ কাজে তাদের সহযোগিতা করেছিলেন বাংলাদেশের রাজাকার নামে কিছু দেশীয় দোসররা।
ডিসেম্বরের মধ্যভাগে মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয় যখন অনিবার্য, তখন রাজাকার, আল-বদর বাহিনীর সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী হত্যা করে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের; উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দেওয়া।
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, চিকিৎসক, শিল্পী, লেখক, সাংবাদিকসহ বহু খ্যাতিমান বাঙালিকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে।
নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনেই পাকিস্তানি বাহিনী ঐ নিধনযজ্ঞ কর্মকান্ড চালায়; তাদের উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার পর যেন বাংলাদেশ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

শরীরে নিষ্ঠুর নির্যাতনের চিহ্নসহ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের লাশ পাওয়া যায় মিরপুর ও রায়েরবাজার এলাকায়। পরে তা বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে,এমনকি তাদের অনেককে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, যারা দেশের জন্য জীবন দিল, যার কারনে আমরা মাথা উচু করে দাড়াতে পারছি, তবে তাদের অমানবিক নির্যাতন ও হত্যার উপযুক্ত বিচার হয়নি, পূনরায় সঠিক তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরও খবর